“শবে বরাত”-কে ইসলাম ধর্মে অর্ন্তভুক্ত করার অপচেষ্টা, কোরআনের সুরার আয়াতের অর্থ পরিবর্তন!!

প্রধান সম্পাদক ০৫-০৭-১৭খ্রিঃ: পবিত্র কোরতানের সুরা দুখানের ২ থেকে ৫ আয়াতের একি(!) অর্থ করলো শবে-বরাত ইউকিপিডিয়া https://bn.wikipedia.org/wiki/শবে_বরাত।

وَالْكِتَابِ الْمُبِينِ 

إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُّبَارَكَةٍ إِنَّا كُنَّا مُنذِرِينَ

فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ

أَمْرًا مِّنْ عِندِنَا إِنَّا كُنَّا مُرْسِلِينَ

“নিশ্চয়ই আমি বরকতময় রজনীতে (শবে বরাতে (!!!)) কুরআন নাযিল করেছি অর্থাৎ নাযিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নিশ্চয়ই আমিই ভয় প্রদর্শনকারী। উক্ত রাত্রিতে আমার নির্দেশে আমার পক্ষ থেকে সমস্ত প্রজ্ঞাময় কাজগুলো ফায়ছালা করা হয়। আর নিশ্চয়ই আমিই প্রেরণকারী।” (পবিত্র সূরা দুখান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ (৩-৫)-https://bn.wikipedia.org/wiki/শবে_বরাত।

অথচ আল্লাহ তায়ালা বলেন- আমি (কুরআন ) নাযিল করেছি বরকতময় রাতে (কদরের) রাতে৷  

১. মূল শব্দ হচ্ছে আনযালনাহু -” আমি একে নাযিল করেছি ” কিন্তু আগে কুরআনের কোন উল্লেখ না করেই কুরআনের দিকে ইংগিত করা হয়েছে ৷ এর কারণ হচ্ছে , ” নাযিল করা ” শব্দের মধ্যেই কুরআনের অর্থ রয়ে গেছে ৷ যদি আগের বক্তব্য বা বর্ণনাভংগী থেকে কোন সর্বনাম কোন বিশেষ্যের জায়গায় বসেছে তা প্রকাশ হয়ে যায় তাহলে এমন অবস্থায় আগে বা পরে কোথাও সেই বিশেষ্যটির উল্লেখ না থাকলেও সর্বনামটি ব্যবহার করা যায়৷ কুরআনে এর একাধিক দৃষ্টান্ত রয়ে গেছে৷

এখানে বলা হয়েছে আমি কদরের রাতে একে (কুরআন) নাযিল করেছি আবার সূরা বাকারায় বলা হয়েছে ,”রমযান মাসে কুরআন নাযিল করা হয়েছে৷” (১৮৫ আয়াতে ) এ থেকে জানা যায়, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে হেরা গুহায় যে রাতে আল্লাহের ফেরেশতা অহী নিয়ে এসেছিলেন সেটি ছিল রমযান মাসের একটি রাত (নিশ্চই সাবান মাসের ১৫ তারিখের রাত নয়৷) এই রাতকে এখানে কদরের রাত বলা হয়েছে৷ সূরা দুখানে একে মুবারক রাত বলা হয়েছে৷ বলা হয়েছে :”অবশ্যি আমি একে একটি বরকপূর্ণ রাতে নাজিল করেছি৷ “(৩ আয়াত- এই আয়তটির ভুল ব্যাখ্যা করলো শবে-বরাত ইউকিপিডিয়া )

আপনারা যাতে বিভ্রান্ত না হন সে লক্ষ্যে পবিত্র সূরা দুখান এর  ১ হতে ৫ পর্যন্ত  আয়াতগুলোর অর্থ (বিভিন্ন ভাষান্তরীদের ভাষান্তরের আলোকে) এখানে দেওয়া হলোঃ  

[ সুরা দুখান ৪৪:১ বাংলা- অর্থ- ধোঁয়া, ধুয়া, ইংরেজী: The Smoke]

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ

1. حم – হা-মীম।

2.       وَالْكِتَابِ الْمُبِينِ- শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের। [ সুরা দুখান ৪৪:২ ]

3.       إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُّبَارَكَةٍ إِنَّا كُنَّا مُنذِرِينَ- আমি একে নাযিল করেছি। এক বরকতময় (শবে- ক্বদর যা মাহিমাময় রজনী তথা কোরআন নাজিলের রজনী হিসাবে সর্বমত- প্রচলিত এবং প্রশ্নাতীত ভাবে গ্রহনীয়) রাতে, নিশ্চয় আমি সতর্ককারী। [ সুরা দুখান ৪৪:৩ ]

4.       فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ, এ রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়। [ সুরা দুখান ৪৪:৪ ]

5.       أَمْرًا مِّنْ عِندِنَا إِنَّا كُنَّا مُرْسِلِينَ, আমার পক্ষ থেকে আদেশক্রমে, আমিই প্রেরণকারী। [ সুরা দুখান ৪৪:৫ ]

 

অর্ন্তজাতিক ভাষান্তরবীদদের ভাষান্তরের বর্ণনায় সুরা দুখানের 2 হতে 5 আয়াতসমুহের অর্থ হলো:

Surah Dukhan Aiah 2: The perspicuous book is witness. (That) We sent it down one night of blessing so that We could warn…….

যার অর্থ হলোঃ সুস্পষ্ট (প্রাঞ্জল/স্বচ্ছ) এই গ্রন্থ যা স্বাক্ষী স্বরুপ(প্রত্যক্ষদর্শী), (যা) আমরা (আমি) এটিকে(কোরআন) আর্শিবাদ স্বরুপ এক রাত্রিতে  (সবে কদর)নাজিল করেছি। যাতে আমরা সতর্ক হতে পারি….

Surah Dukhan Aiah 3: On which all affairs are stored out and decided

যার অর্থ হলোঃ যেখানে সকল বিষয়সমুহু লিপিবদ্ধ করা হয়েছে এবং মিমাংশা(স্থিরকৃত/নিশ্চিত/স্পষ্ট) করা হয়েছে।

Surah Dukhan Aiah 4: As commands from us  (যা আল্লাহর পক্ষ হতে (ফেরেশতাগনের মাধ্যমে) নির্দেশনা স্বরুপ),

Surah Dukhan Aiah 5:it is indeed We who send (messengers)  এটা প্রকৃতপক্ষে আমরা (আল্লাহ এবং তাঁর সৃষ্ট ফেরেশতাকুল) যারা বহন করে আনি (নবীর নিকট)।

Shakir, Yusuf Ali, Pickthal  এর বাক্যার্থ Ad-Dukhan 44: 1-5:

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ حم

[ Ad-Dukhan 44:1 ]

Shakir   – Ha Mim!, Yusuf Ali-  Ha-Mim, Pickthal –  Ha. Mim.

وَالْكِتَابِ الْمُبِين   [ Ad-Dukhan 44:2 ] Shakir– I swear by the Book that makes manifest (the truth). Yusuf Ali– By the Book that makes things clear;-Pickthal– By the Scripture that maketh plain

إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُّبَارَكَةٍ إِنَّا كُنَّا مُنذِرِينَ   [ Ad-Dukhan 44:3 ] Shakir  – Surely We revealed it on a blessed night surely We are ever warning–, Yusuf Ali- We sent it down during a Blessed Night: for We (ever) wish to warn (against Evil). Pickthal – Lo! We revealed it on a blessed night – Lo! We are ever warning –
فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ   [ Ad-Dukhan 44:4 ] Shakir- Therein every wise affair is made distinct, Yusuf Ali –  In the (Night) is made distinct every affair of wisdom, Pickthal – Whereon every wise command is made clea

أَمْرًا مِّنْ عِندِنَا إِنَّا كُنَّا مُرْسِلِينَ  [ Ad-Dukhan 44:5 ] Shakir- A command from Us; surely We are the senders (of messengers), Yusuf Ali – By command, from Our Presence. For We (ever) send (revelations), Pickthal– As a command from Our presence – Lo! We are ever sending –

শবে বরাত কোরআনের আলোকে নির্ধারিত একটি মহিমান্মিত রাত এবং এই রাতে মানুষের ভাগ্য ও কর্ম পুর্নলিখিত হয় এই ভ্রান্ত বিশ্বাসকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য কোরআনের ৪৪ নং সুরা আদ্-দুখানের ২ হতে ৫ আয়াতের অর্থ পরিবর্তন করলো উপরে চিহ্নিত https://bn.wikipedia.org/wiki/শবে_বরাত। কোরআনের মর্যাদোকে হেয় করার প্রয়াসে এখন এধরনের পেইজ অনেক ওয়েব সাইটে প্রকাশিত হচ্ছে। প্রিয় মুসলিম ভাইয়েরা এ’ব্যপারে সাবধানতা অবলম্বনের জন্য আপনাদের বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। এবং যে কারনে এই অপচেষ্টা তা নিচে বিভিন্ন জ্ঞানী (আলেম) মুসলমানদের বক্তব্য ও অপ-ব্যাখ্যাকৃত হাদিসের মাধ্যেমে উদহারণ স্বরুপ তুলে ধরছি।

শবে বরাতের আভিধানিক অর্থ ঃ‘শব’ ফারসি শব্দ যার অর্থ রাত বা রজনী। বরাত শব্দটিও  ফারসি শব্দ যাাের অর্থ ভাগ্য।দু’শব্দের একত্রে অর্থ হবে, ভাগ্য-রজনী। বরাত শব্দটি আরবি ভেবে অনেকেই ভুল করে থাকেন কিন্তু জেনে লাখা ভাল যে ‘বরাত’ বলতে আরবি ভাষায় কোন শব্দ নেই। যদি বরাত শব্দটি আরবি বারা’আত শব্দের অপভ্রংশ ধরা হয় তবে তার অর্থ হবে— সম্পর্কচ্ছেদ বা বিমুক্তিকরণ। তাহলে অর্থ  দাড়াচ্ছে সম্পর্কচ্ছেদের বা বিমুক্তিকরনের রাত্রি(!!), অথবা রাত্রি বিমুক্তিকরণ বা সম্পর্কচ্ছেদের রাত্রি!!)।  আরবি ভাষায় সাবান মাসের ১৫  রাতটিকে ‘লাইলাতুন নিছফি মিন শা‘বান’ — শাবান মাসের মধ্য রজনী — হিসাবে অভিহিত করা হয় কিন্তু কোরআনের কোথাও এই রাত সম্পর্কে বলা হয়নি এমনকি  ইঙ্গিতও দেওয়া হয়নি।

“শবে-বরাতের রাত্রিকে যারা অশ্বিকার করে তাদের কোরআন ও হাদীসের কোন জ্ঞান নেই”- বাক্যধারী তথাকথিত আলেমদের জন্য নিচে উল্লেখ করছি সেই সমস্ত হাদিস যার অপব্যখ্যা ও কোরআনের আয়াতের অর্থ পরিবর্তণ করে স্বার্থসিদ্ধ(!) করার অপচষ্টা হচ্ছে আজকাল:

১.আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলেন: এক রাতে আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে খুঁজে না পেয়ে তাঁকে খুঁজতে বের হলাম, আমি তাকে বাকী গোরস্তানে পেলাম। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন: ‘তুমি কি মনে কর, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তোমার উপর জুলুম করবেন?’ আমি বললাম: ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি ধারণা করেছিলাম যে আপনি আপনার অপর কোন স্ত্রীর নিকট চলে গিয়েছেন। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: ‘মহান আল্লাহ তা’লা শা‘বানের মধ্যরাত্রিতে নিকটবর্তী আসমানে অবতীর্ণ হন এবং কালব গোত্রের ছাগলের পালের পশমের চেয়ে বেশী লোকদের ক্ষমা করেন।

হাদীসটি ইমাম আহমাদ তার মুসনাদে বর্ণনা করেন (৬/২৩৮), তিরমিযি তার সুনানে (২/১২১,১২২) বর্ণনা করে বলেন, এ হাদীসটিকে ইমাম বুখারী দুর্বল বলতে শুনেছি। অনুরূপভাবে হাদীসটি ইমাম ইবনে মাজাহ তার সুনানে (১/৪৪৪, হাদীস নং ১৩৮৯) বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির সনদ দুর্বল বলে সমস্ত মুহাদ্দিসগণ একমত।

২. আবু মূসা আল আশ’আরী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘আল্লাহ তা‘আলা শাবানের মধ্যরাত্রিতে আগমণ করে, মুশরিক ও ঝগড়ায় লিপ্ত ব্যক্তিদের ব্যতীত, তাঁর সমস্ত সৃষ্টিজগতকে ক্ষমা করে দেন।

হাদীসটি ইমাম ইবনে মাজাহ তার সুনানে (১/৪৫৫, হাদীস নং ১৩৯০),এবং তাবরানী তার মু’জামুল কাবীর (২০/১০৭,১০৮) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

আল্লামা বূছীরি বলেন: ইবনে মাজাহ বর্ণিত হাদীসটির সনদ দুর্বল। তাবরানী বর্ণিত হাদীস সম্পর্কে আল্লামা হাইসামী (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) মাজমা‘ আয যাওয়ায়েদ (৮/৬৫) গ্রন্থে বলেনঃ ত্বাবরানী বর্ণিত হাদীসটির সনদের সমস্ত বর্ণনাকারী শক্তিশালী। হাদীসটি ইবনে হিব্বানও তার সহীহতে বর্ণনা করেছেন। এ ব্যাপারে দেখুন, মাওয়ারেদুজ জাম‘আন, হাদীস নং (১৯৮০), পৃঃ (৪৮৬)।

৩. আলী ইবনে আবী তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “যখন শা‘বানের মধ্যরাত্রি আসবে তখন তোমরা সে রাতের কিয়াম তথা রাতভর নামায পড়বে, আর সে দিনের রোযা রাখবে; কেননা সে দিন সুর্যাস্তের সাথে সাথে আল্লাহ তা‘আলা দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং বলেন: ক্ষমা চাওয়ার কেউ কি আছে যাকে আমি ক্ষমা করব। রিযিক চাওয়ার কেউ কি আছে যাকে আমি রিযিক দেব। সমস্যাগ্রস্ত কেউ কি আছে যে আমার কাছে পরিত্রাণ কামনা করবে আর আমি তাকে উদ্ধার করব। এমন, এমন কেউ কি আছে? ফজর পর্যন্ত তিনি এভাবে বলতে থাকেন”।

হাদীসটি ইমাম ইবনে মাজাহ তার সুনানে (১/৪৪৪, হাদীস নং ১৩৮৮) বর্ণনা করেছেন। আল্লামা বূছীরি (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) তার যাওয়ায়েদে ইবনে মাজাহ (২/১০) গ্রন্থে বলেন, হাদীসটির বর্ণনাকারীদের মধ্যে ইবনে আবি সুবরাহ রয়েছেন যিনি হাদীস বানাতেন। তাই হাদীসটি বানোয়াট।

পরিশেষে পাঠকের ধৈয্যের কথা বিবেচনা করে আরও কিছু হাদিস যা বানোয়াট এবং বিভিন্ন সময়ে হাদিসের অপব্যাখ্যা বলে হাদিস সংগ্রহকারীরাই মন্তব্য করেছেন সেসব হাদিসগুলো তুলে ধরলাম না। উল্লিখিত আলোচনায় এটা স্পষ্ট যে, ১৫ শা‘বানের মধ্যরাত্রির ফযীলত বিষয়ে যে সব হাদীস বর্ণিত হয়েছে তার সবগুলোই দুর্বল অথবা বানোয়াট, আর তাই এটি গ্রহনযোগ্য নয় বা ভাগ্য পরিবর্তনের রাত্রি নয়। আপনি যদি আল্লাহকে ডাকার মত ডাকতে পারেন তবে তিনি প্রতি মধ্যরাতেই আপনার কল্যানার্থে আপনার ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য পৃথিবীতে নেমে আসতে পারেন, মাফ করে দিতে পারেন আপনার সকল  গুনাহ। অতএব শুধু মাত্র শবে বরাতের  রাত্রিতে নফল এবাদতের জন্য সারা বছর অপেক্ষায় না থেকে নামাজ কায়েম করুন এবং  যা রসুল স. আমাদের নিকট বিবৃত কেরেছন কোরআন মারফত সেই পথে চলুন, ইহকাল ও পরকালে আল্লাহর করুনা এবং মুক্তি আপনার জন্য নির্ধারিত হয়ে আছে। 

আল্লাহ আপনাদের  এবং আমার সহায় হোন ও সরল পথে চলার তৌফিক দান করুন  নিঃশ্চই যা মিথ্যার উপর প্রতিষ্ঠত নয় । আমিন।

About শাখাওয়াৎ ছবি 59 Articles
সভাপতি- উদীচী, নড়িয়া ‍উপজেলা, শরীয়তপুর সভাপতি- কীর্তিনাশা থিয়েটার, বাংলদেশ গ্রাম থিয়েটার, নড়িয়া শরীযতপুর সভাপতি- ভোর হলো,নড়িয়া শরীযতপুর পরিচালক ও প্রতিষ্ঠাতা: আবহমান কম্পিউটার কেন্দ্র প্রধান সম্পাদক: নড়িয়া বার্তা, নড়িয়া শরীয়তপুর।