শরীয়তপুরে মূলধারার তাবলীগের ইজতেমা ৭,৮ ও ৯ নভেম্বর

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: শরীয়তপুর জেলায় মূলধারার তাবলীগের জেলা ইজতেমা ৭,৮ ও ৯ নভেম্বর। যা ৩১ অক্টোবর, ১,২ নভেম্বর হওয়ার কথা ছিল। ৩০ অক্টোবর সিভিল প্রশাসন , পুলিশ প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন শরীয়তপুর জেলার তাবলীগের উভয় গ্রুপের প্রতিনিধি দলকে নিয়ে বৈঠকের মাধ্যমে ইজতেমার এ তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু এর পূর্বে মূলধারার তাবলীগের এ ইজতেমায় প্রশাসন সহযোগিতা করতে চাইলেও মাঝে বাধ সাধছে মূলধারার বাইরের রাজনীতিতে জড়িত কিছু নামধারী তাবলীগওয়ালারা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের, পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ইদ্রিস ও তাবলীগের উভয় গ্রুপের প্রতিনিধি দলসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

জানা যায়, শান্তিপূর্ণ তাবলীগকে নস্যাৎ করার পায়তারায় বিভিন্ন জায়গায় কিছু মুনাফিকদের চক্রান্তে কিছু উগ্রবাদীবাদী দল মূলধারার তাবলীগের লোকজনকে হেনস্থা করার মানসে এ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

জেলার বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মূলধারার তাবলীগের লোকজন কখনও তাদের বাইরের লোকজনকে সহযোগিতা ছাড়া অসহযোগিতা করে না।

মূলধারার তাবলীগওয়ালাদের ইজতেমা বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বলেন, শরীয়তপুর ইজতেমার জন্য আমাদের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শেষ। এখন শেষ পর্যায়ে এসে এ ইজতেমাকে নস্যাৎ করার জন্য প্রশাসনকে নালিশ করে ইজতেমার বাধা দেওয়ার জন্য উঠেপরে লেগেছিল মূলধারার বাইরের রাজনীতিতে জড়িত উগ্রবাদী কিছু নামধারী তাবলীগওয়ালারা। বাংলাদেশের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশে ধর্মীয় কোন সম্মেলনে বারবার বাধা দেওয়ার ইতিহাস এ প্রথম। ধর্মীয় কোন সম্মেলনে বাধা দেয়ার বিধান বাংলাদেশের সংবিধানেও নেই।

প্রশাসনকে এ ইজতেমার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বলেন, আমাদের ধর্মীয় ইজতেমার বিষয়ে কোন সমস্যা নেই। যেহেতু তাবলীগ দুই গ্রুপে বিভক্ত। অন্য গ্রুপ এ ইজতেমার না হওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। এজন্য এটাকে আমরা সংঘাতময় নিরাপত্তাহীনতা মনে করছিলাম। এ নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই শরীয়তপুর ইজতেমা ১ সপ্তাহ পিছানোর জন্য সাদপন্থী মূলধারার তাবলীগওয়ালাদের বলেছি এবং বৈঠকে বসেছি ও সিদ্ধান্ত হয়েছে ৭,৮ ও ৯ নভেম্বর ইজতেমা হবে।

মূলধারার ইজতেমা বাধা প্রদানকারী গ্রুপকে বৈঠকে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বলেন, সাদপন্থীদের জামাত ও ইজতেমার ব্যাপারে আমরা প্রশ্নবিদ্ধ। যেহেতু বৈঠকে সিভিল প্রশাসন , পুলিশ প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭,৮ ও ৯ নভেম্বর তাদের ইজতেমা হওয়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছে, তা আমরা মেনে নিয়েছি এবং সহযোগিতা করবো।