ধানকাঠি হবে আধুনিক উন্নয়নশীল একটি মডেল ইউনিয়ন, সম্ভব চেয়ারম্যান প্রার্থী আশ্রাফুল ইসলাম শান্ত

 

শরীয়তপুর প্রতিনিধি।।
ধানকাঠি ইউনিয়নকে ডামুড্যা উপজেলার মধ্যে এজটি আধুনিক উন্নয়নশীল, ডিজিটাল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে ডামুড্যা উপজেলার ধানকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আশ্রাফুল ইসলাম শান্ত। ধানকাঠি ইউনিয়নের সকল বয়সী ও শ্রেণি পেশার মানুষের পরিচিত মুখ ও আপনজন আশ্রাফুল ইসলাম শান্ত। মানুষের বিপদে ঘরে বসে থাকতে পারেন না তিনি, ছুটে যান বিপদগ্রস্থ মানুষের পাশে। বিয়েসাদী,অভাবী,কর্মহীন মানুষকে কর্মের ব্যাবস্থা করা,যুব সমাজকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত,মাদকমুক্ত ও ক্রীড়ামোদী করে গড়ে তোলা,এলাকার উন্নয়নে অংশগ্রহণ করাসহ ইউনিয়নের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তাকে দেখা যায়। করোনা কালীন ও বন্যায় অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রীও বিতরণ করেন তিনি।
ডামুড্যা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ধানকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আশ্রাফুল ইসলাম শান্ত একান্ত আলাপকালে প্রতিবেদককে বলেন, ধানকাঠি ইউনিয়নই আমার জন্ম । আমাদের ধানকাঠি ল্যান্ড প্রপার্টি হিসেবে সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন। ধানকাঠির মানুষ দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামিলীগ করে। এই ইউনিয়নের মানুষ ভালোবাসে প্রয়াত জননেতা আবদুর রাজ্জাক ও তার ছেলে আমাদের প্রিয় নেতা নাহিম রাজ্জাক কে। এই ইউনিয়নকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে সবাই জানে। এই ইউনিয়নে আমি দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছি যুবলীগ রাজনীতি করেছি, বর্তমানে ডামুড্যা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২০১৬থেকে এ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে আসছি। দীর্ঘদিন যাবৎ এ ইউনিয়নের মানুষ অবহেলিত আওয়ামী লীগ থেকে যদি আমায় মনোনয়ন দেন এবং চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারি তাহলে তাদের পাশে থেকে তাদের নিয়ে একটি ডিজিটাল ইউনিয়ন গড়ে তুলবো। এলাকার লোকজন জানে আমার বাবা এই ইউনিয়নের মেম্বার ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে ছিলেন।আমাদের পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগের সাথে সংযুক্ত । আমি চেয়ারম্যান হলে আপনাদের একটি মাদকমুক্ত সন্ত্রাসমুক্ত ডিজিটাল ইউনিয়ন উপহার দিবো ইনশাআল্লাহ। আপনারা জানেন আমি সবসময় সামাজিক নানা কাজে সাথে সংযুক্ত থাকি যেকোনো উন্নয়নশীল কাজে আমি অংশগ্রহণ করি টাকা শ্রম যেভাবে হোক আমি তা দিয়ে থাকি। এলাকার অসহায় মানুষদের নিয়ে সবসময় কাজ করি মানুষের বিপদে-আপদে থাকার চেষ্টা করি। আমি আশা করি যদি আমি চেয়ারম্যান হই আমার এলাকার মানুষের আশা আমি পূরণ করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।আমি ও আমার পরিবার আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে সাথে থেকে অনেক সময় নানা ধরনের ঝামেলায় পড়তে হয়েছে আমাদের। তার পরেও আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে বেইমানি করিনি।