ডামুড্যার শতবর্ষী খাতুন নেছা দায়িত্ব নিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ পারভেজ হাসান

 

শরীয়তপুর ব্যুরো।।
শরীয়তপুরের ডামুড্যায় শতবর্ষী খাতুন নেছার সমস্ত দায়িত্ব নিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ পারভেজ হাসান। স্বামী মারা যাওয়ার নিখোঁজ হওয়ার ১৪ বছর পর পাওয়া যায় তাকে। তারপর ওঠেন মেয়ের কাছে। মেয়ের সংসারে এমনিতেই অভাব-অনটন। তারপরও গর্ভধারিণী মাকে বাঁচাতে ভিক্ষা করে এনে খাওয়ান। আর যেদিন কিছু না জোটে, সেদিন থাকেন অনাহারে। একমাত্র ছেলেও মাকে ছেড়ে চলে যান বিদেশে। বার্ধক্যের কারণে এখন হাঁটতে পারেন না খাতুন নেছা। মেয়ের সঙ্গে একটি ঝুপড়ি ঘরে থাকেন তিনি। ডামুড্যা উপজেলার পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা খাতুন নেছার বয়স ১০০ ছুঁইছুঁই। গনমাধ্যমে মাধ্যমে এমন সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক মোঃ পারভেজ হাসান এর নির্দেশে মঙ্গলবার সকালে ডামুড্যা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ফজলে এলাহি ছুটে যান মানবিক উপহার নগদ টাকা এবং খাদ্য সামগ্রী নিয়ে খাতুন নেছার বাড়ি । খাতুন নেছার সমস্ত দায়িত্ব জেলা প্রশাসক নিবেন বলে জানান তিনি।

এবিষয়প ডামুড্যা সহকারী কমিশনার ভূমি ফজলে এলাহি বলেন খাতুন নেছার বিষয়টি জানার সাথে সাথে আমাদের মানবিক জেলা প্রশাসক মহোদয় আমাকে নিদের্শ দেন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য এবং তার সমস্ত দায়িত্ব নেয় জেলা প্রশাসক মোঃ পারভেজ হাসান স্যার। আমরা জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশনায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার নগদ অর্থ ও মানবিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ডামুড্যা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ ওবায়দুর রহমান ও পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদ পারভেজ লিটন হাওলাদার।

ডামুড্যা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ ওবায়দুর রহমান বলেন, ভোটার আইডি কার্ড না থাকার কারনে বয়স্ক ও বিধবা বার্তা এমএস শীর্ট থেকে খাতুন নেছার নাম বাদ পরে।আমি ডিডি মহোদয়ের সাথে পরামর্শ করে দ্রুত খাতুননেসার জন্য বয়স্ক ও বিধবা বার্তার ব্যবস্থা করবো।